২৭শে জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বরিশালে পাংশা গ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ১ অর্ধেক জনবলে চলছে ঝালকাঠির প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ হলে ঢুকে হামলা : বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থী গ্রেফতার পাথরঘাটায় বিআরটিসি বাসচাপায় মাছ ব্যবসায়ীর মৃত্যু জনবল সংকটে ঝালকাঠির প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ : তিন সন্ত্রাসী সহোদরের প্রভাবে জিম্মি উজিরপুরবাসী স্ত্রীর মামলায় গ্রেফতার বরিশালের ওয়ার্ড আ. লীগ নেতা বহিষ্কার লালমোহনে নামাজের সালাম ফেরাতেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন মুসল্লি শেবাচিমে এক বছরেও শিডিউল পাচ্ছেন না ডায়ালাইসিস রোগীরা ঝালকাঠিতে পিকআপ ভ্যানে যাত্রীবাহী মাহিন্দ্রার ধাক্কায় শিশু নিহত, আহত ৪

ওমিক্রনের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে স্ত্রী-সন্তানকে হত্যা করলো চিকিৎসক

বাণী ডেস্ক: স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নির্মমভাবে হত্যা করেছেন এক চিকিৎসক। পরে বিষয়টি ভাইকে জানিয়েছেন তিনি।
এ ঘটনার পর ওই চিকিৎসক পলাতক রয়েছেন। তাকে খুঁজছে পুলিশ।
ওয়ানইন্ডিয়া টুড ও আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) ভারতের উত্তর প্রদেশের কানপুরে ঘটেছে এমন ঘটনা।
স্ত্রী-সন্তানদের হত্যার পরই ভাইকে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠিয়েছিলেন চিকিৎসক। তিনি লেখেন, ‘লাশ গুনতে গুনতে আমি ক্লান্ত। ওমিক্রনের (করোনা ভাইরাসের নতুন ধরন) সংক্রমণ থেকে কেউ রেহাই পাবে না। এমন পরিস্থিতির যাতে শিকার না হতে হয়, তাই ওদের মুক্তি দিচ্ছি। ’

পুলিশ আরও জানায়, চিকিৎসকের এ ধরনের বার্তা পেয়েই ঘটনাস্থলে যান তার ভাই। তিনি গিয়ে দেখেন একটি ঘরে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন তার ভাবি। অন্য ঘরে ভাতিজা-ভাতিজি। এরপরই তিনি পুলিশে খবর দেন।

পুলিশ জানায়, স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে এবং দুই সন্তানকে হাতুড়ি দিয়ে মাথার খুলি ফাটিয়ে খুন করেছেন চিকিৎসক।

পুলিশকে চিকিৎসকের ভাই বলেন, তার ভাই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন।

ওমিক্রন আতঙ্কেই এই হত্যাকাণ্ড, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য আছে, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

তদন্তকারীরা চিকিৎসকের ঘর থেকে একটি ডায়েরি উদ্ধার করেছেন। সেখানে তিনি হত্যার কথা লিখেছেন। শুধু তাই নয়, ওমিক্রনের কথাও সেখানে উল্লেখ করেছেন তিনি। তদন্তকারীদের দাবি, ডায়েরিতে এটাও স্পষ্ট করে লেখা, ‘এখন থেকে আর লাশ গুনতে হবে না। করোনা সবাইকে মারবে। ’

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ