সরকারের স্বার্থ বিনষ্টে কঠোর ব্যবস্থা : গণপূর্তমন্ত্রী

সরকারের স্বার্থ বিনষ্টে কঠোর ব্যবস্থা : গণপূর্তমন্ত্রী

আইন ও নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে সরকারের স্বার্থ বিনষ্ট করা হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম।

রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের আগস্ট ২০১৯ মাসের অগ্রগতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রণালয় এবং আওতাধীন দফতর-সংস্থার কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দফতর-সংস্থার কোনো কর্মকাণ্ডে নিয়মের ব্যত্যয় ঘটানো যাবে না। নিয়মের বাইরে কোনো নথি উপস্থাপন করা যাবে না। ব্যত্যয় হলে যে কর্মকর্তার মাধ্যমে নথি এসেছে, তিনি এর জন্য দায়ী হবেন। এ ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন থাকতে হবে। প্রত্যেকটি নথি যত্ন নিয়ে দেখতে হবে। আইন ও নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে সরকারের স্বার্থ বিনষ্ট করা হলে সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘কোনো অজুহাতে কোনো কাজ আটকে রাখা যাবে না। নিয়ম ও বিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। গতানুগতিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। মন্ত্রণালয়ের ইমেজ পুনরুদ্ধারে যা যা করা লাগে, সবকিছু করতে হবে। সকল কর্মকাণ্ডের ভেতরে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং নিয়মানুবর্তিতাকে শতভাগ অনুসরণ করতে হবে।’

কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ সকলে প্রশংসা করছেন। নিজেদের কোনো ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলে তা সংশোধন করুন। আমি নিজের কাজের ভুল-ত্রুটি উপলব্ধি করার চেষ্টা করি। আপনাদেরও সে বিষয়টি কঠিনভাবে ধারণ করতে হবে।’

তিনি বলেন, নিজেদের দফতরকে দক্ষতার সাথে ব্যবস্থাপনা করতে হবে। সকলকে আস্থায় আনতে হবে। দায়বদ্ধতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে কাজ করতে হবে। কোনোভাবে নিজ প্রতিষ্ঠান, দফতর-সংস্থা ও মন্ত্রণালয়কে হেয় প্রতিপন্ন করা যাবে না।

পরবর্তী এডিপি সভার পূর্বে দফতর-সংস্থার বিভিন্ন ব্যবস্থাগ্রহণমূলক কার্যক্রম লিখিতভাবে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার জন্য দফতর-সংস্থা প্রধানদের নির্দেশ দেন তিনি।

সভায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের আগস্ট ২০১৯ মাসের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব ড. মো. আফজাল হোসেন ও মো. ইয়াকুব আলী পাটওয়ারীসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দফতর-সংস্থা প্রধানগণ, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক এবং পরিকল্পনা কমিশন ও আইএমইডির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

177 total views, 3 views today

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.







© All rights reserved © 2017 Barisal Bani