শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
দুমকিতে শনাক্ত হলো বরিশাল বিভাগের প্রথম করোনা রোগী বরিশালে প্রথম ধরা পড়লো করোনা, ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা ব‌রিশালে এক এলাকা থে‌কে অন্য এলাকায় যাতায়াত নি‌ষিদ্ধ পাথরঘাটায় হাসপাতালে ভর্তির পর জ্বর-শ্বাসকষ্টে বৃদ্ধের মৃত্যু লাশ গোনা ছেড়ে দিয়েছি–নিউইয়র্ক তরুণী চরফ্যাশনে মহামারী করোনা সংক্রমণ এড়াতে ৪ বাড়ি লকডাউন ১৫ বছর বয়সে বাবাকে হারিয়েছি, আজো খুঁজে ফিরি তাকে কাউখালীতে পাড়া মহল্লায় চলছে বাঁশের বেড়া দিয়ে লকডাউন সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে ৬ টি ইউনিয়ন লকডাউন ঘোষনা ঝালকাঠিতে গাছ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু মোংলা বন্দরের নতুন চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শাহজাহান রাজাপুরে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা নাজিরপুরে চাল আত্মসাতের অভিযোগে ইউপি সদস্য সহ ২ জনের কারাদন্ড ‘করোনা‘ : — সিবলু মোল্লা গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা মোকাবেলার পর্যাপ্ত উপকরণ নেই চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যখাতের প্রতি আমাদের সম্মান এবং বিশেষ মনযোগ দিতে হবে। রেজাউল করিম চৌধুরী বরিশালে রোগীর সেবা প্রদান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানালেন বিএমএ সভাপতি ৩২০ কিঃমিঃ বেগে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে দৈত্যাকার গ্রহাণু বরিশালে ২৪১ জন কয়েদি ও হাজতীকে মুক্তির প্রস্তাব কুয়াকাটায় অসহায় গরীবদের পাশে যুবলীগ নেতা
করোনাভাইরাস নয়, অনটনে চিন্তিত তারা

করোনাভাইরাস নয়, অনটনে চিন্তিত তারা

মোঃ রাকিবুল ইসলাম :
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে বাংলাদেশে মঙ্গলবার মাঝরাত থেকে যে দেশব্যাপী অঘোষিত লকডাউন শুরু হয়েছে।  সঙ্গে সঙ্গেই শহরাঞ্চলের বহু মানুষ শপিং মল বা পাড়ার দোকানগুলিতে ভিড় করে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জিনিসও কিনে নিচ্ছেন। তাদের ভয় দেরি হলে যদি ফুরিয়ে যায়! এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের কাছে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য ও কাঁচাবাজার পৌঁছানোই একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাইকারি বাজারগুলোতে কোনোভাবে খাদ্যদ্রব্য পৌঁছাচ্ছে ঠিকই, তবে তা মানুষের কাছে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা নেই – কারণ শহরে যান চলাচল বন্ধ। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে অনেক দোকানেই পণ্য শেষ হতে শুরু করেছে – বাজারগুলিতে সবজি কম – যেটুকু থাকছে, তার দামও অনেক বেশি। “লকডাউনটাও জরুরী। কীভাবে যে সরবরাহ ব্যবস্থা মসৃণ করা যায়, সে ব্যাপারে আমার কাছে এখনও কোনও দিশা নেই। এরকম চলতে থাকলে একটা সঙ্কট তো হবেই। এতো গেল যাদের হাতে কিছুটা অর্থ আছে, সেইসব শহুরে মানুষের কাছে খাদ্যদ্রব্য সরবরাহে সমস্যার কথা। কিন্তু এর বাইরে বাংলাদেশের জনসংখ্যার বৃহত্তম অংশ – যারা দিন আনেন দিনে খান, অর্থাৎ রিকশা বা ভ্যান চালক, গৃহকর্মী, দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে কাজ করা শ্রমিক – তাদের অবস্থা আরও শোচনীয়। লকডাউনের জেরে তারা কাজ করতে পারছেন না, এমন কি লঞ্চ, গাড়ী, খেয়া বন্ধ থাকায় শহর থেকে গ্রামে আসতেই পারছেন না। এদের হাতে সঞ্চয়ও তেমন থাকে না, যা দিয়ে একসঙ্গে অনেক দিনের খাবার মজুত করতে পারবেন। বরিশালের মুলাদীর একটি ভ্যান চালক বলেছেন, “মুলাদীতে যারা রিকশা বা ভ্যান চালাতে আসেন, তাদের একটা বড় অংশই গ্রামে কাজ না পেয়ে চলে আসেন।” “এখন ট্রলার, লঞ্চ, গাড়ী বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে তারা আসতেও পারছেন না, আবার ওদিকে লকডাউন। আমরা জানি না এরা কীভাবে বেঁচে থাকবেন যদি না সরকার অনুদান দেওয়ার ব্যবস্থা করে। হয়তো করোনাভাইরাসের আক্রমণ থেকে বেঁচে যাবেন এরা, কিন্তু অনাহারেই তো মারা যাবেন অনেকে।” খাবার ছাড়াও বহু মানুষের প্রয়োজন চিকিৎসার। ওষুধের দোকান খোলা রাখা হচ্ছে ঠিকই , কিন্তু গ্রামের দিকে ক্যান্সারের মতো দুরারোগ্য ব্যধিতে যারা আক্রান্ত, তারা নিয়মিত ডাক্তার দেখাতে শহরে যাবেন কীভাবে, সেটা নিয়ে চিন্তায় আছে অনেকে। আবার জীবনদায়ী ওষুধ তারা যোগাড়ই বা করবেন কীভাবে গ্রামে বসে। সেটা তাদের একটা দুশ্চিন্তা। সরকার এখনও পর্যন্ত নির্দিষ্ট ভাবে পরিকল্পনা ঘোষণা করেনি।

 1,125 total views,  1 views today

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন







© All rights reserved © 2014 barisalbani
Design By Rana